Menu
Your Cart

মেছতা কি? RSS Feed


মেছতা কি? কেন হয়, কীভাবে দূর করবেন মেছতার দাগ

পরিস্কার উজ্জ্বল দাগবিহীন ত্বক সবাই চায়। কিন্তু অনেক সময় মুখে ছোপ ছোপ দাগ দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মুখে, গালে মেছতার কালো দাগ নিয়ে বিব্রত বোধ করেন অনেকেই।

মেছতা কি?

মেলাসমা বা মেছতা হলো ত্বকের একটি পিগমেন্টেশন ডিসঅর্ডার। বেশিরভাগ সময় নারীরাই আক্রান্ত হয়। সাধারণত শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেড়ে গেলে গালে এবং মুখে হালকা বা গাড় বাদামী রঙের দাগ দেখা দেয়। এক্ষেত্রে মুখে কালচে ছোপ বা প্যাচ পড়ে, যা মুখের সৌন্দর্য অনেকটাই নষ্ট করে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে মুখ-কপালসহ বুকেও হতে পারে মেছতা।

মেছতা কেনো হয়?


১.  সূর্যের আলট্রাভায়োলেট রশ্মির প্রভাব, বংশগত কারণ, গর্ভধারণ, হরমোনজনিত সমস্যা ইত্যাদি কারণে মেছতা হয়ে থাকে।

২. সাধারণত ত্বকের কোন অংশ যদি দীর্ঘসময় রোদের ক্ষতিকর আলট্রাভায়োলেট রশ্মির সংস্পর্শে আসে সেখানে মেছতা দেখা দেয়।

৩. মুখে, গলায়, ঘাড়ে, পিঠে একধরনের মেছতার মতো কালো দাগ হয়, একে বলে অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স। স্থূলতা থাকলে বা পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকলে এই ধরনের কালো দাগ পড়তে পারে।

৪. এ ছাড়া বেশি কসমেটিক্স, রাসায়নিক দেওয়া ক্রিম মুখে ব্যবহার করলে একধরনের গুটি গুটি কালো দাগ হয় সারা মুখে। একে বলে পিগমেন্টেড কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস। বিশেষ করে প্রসাধনী থেকে এমন ত্বকের সমস্যা দেখা দেয়।

৫. হাই ব্লাড প্রেসারের ওষুধ, ডায়াবেটিসের ওষুধ বা বিভিন্ন ধরনের ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াতেও অনেক সময় মেছতার মত এমন দাগ হতে পারে।



মেছতা দূর করার উপায়

জেনে রাখা ভালো মেছতার দাগ দ্রুত যায় না। এর পেছনে সময় দিতে হবে এবং ধৈর্য রাখতে হবে।

১. প্রথমেই মেছতার কারণ খুঁজতে হবে। কোন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে সে ওষুধ বন্ধ করতে হবে বা চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। এ ছাড়া হরমোনজনিত সমস্যা হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

২. মেছতার দাগ কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডিমেলামাইজিং ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩. সরাসরি সূর্যের আলোর প্রভাব থেকে ত্বককে মুক্ত রাখতে হবে। রোদে গেলে ত্বক ঢেকে রাখতে হবে। এছাড়া ভালো মানের সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।

There are no blog posts to list.